ঐশ্বর্য রাই: মডেলিং থেকে বিশ্বসুন্দরী, তারপর বলিউডের সুপারস্টার হয়ে ওঠার অবিশ্বাস্য যাত্রা
ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের জনপ্রিয়তা সময়ের সীমানা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই তালিকায় অন্যতম উজ্জ্বল নাম হল Aishwarya Rai Bachchan। সৌন্দর্য, অভিনয়, ব্যক্তিত্ব এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব—সব ক্ষেত্রেই তিনি এক অনন্য অধ্যায় তৈরি করেছেন। নব্বইয়ের দশকের মডেলিং জগৎ থেকে শুরু করে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট, তারপর বলিউডে সুপারস্টার হয়ে ওঠা—ঐশ্বর্য রাইয়ের জীবন যেন রূপকথার মতো এক বাস্তব গল্প।
আজকের এই বিশেষ বিনোদনধর্মী ব্লগে জানানো হবে তাঁর জন্ম, পরিবার, পড়াশোনা, ছোটবেলার জীবন, মডেলিংয়ে প্রবেশ, অভিনয়ে আসা এবং কীভাবে তিনি ভারতীয় সিনেমার অন্যতম বড় তারকা হয়ে উঠলেন।
জন্ম ও পরিবার
ঐশ্বর্য রাই জন্মগ্রহণ করেন ১ নভেম্বর ১৯৭৩ সালে ভারতের কর্ণাটকের ম্যাঙ্গালোর শহরে। তাঁর বাবা কৃষ্ণরাজ রাই ছিলেন একজন মেরিন বায়োলজিস্ট এবং মা বৃন্দা রাই ছিলেন গৃহিণী। তাঁদের পরিবার ছিল শিক্ষিত ও সংস্কৃতিমনা। ঐশ্বর্যের এক বড় ভাই আছেন, আদিত্য রাই, যিনি মের্চেন্ট নেভিতে ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন। (উইকিপিডিয়া)
শৈশবেই পরিবারের সঙ্গে তিনি মুম্বইয়ে চলে আসেন। এই শহরই পরে তাঁর স্বপ্নপূরণের কেন্দ্র হয়ে ওঠে। ছোটবেলা থেকেই ঐশ্বর্য ছিলেন শান্ত স্বভাবের, মেধাবী এবং শিল্পকলার প্রতি আগ্রহী। তাঁর নীলাভ সবুজ চোখ এবং আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব স্কুল জীবন থেকেই মানুষকে মুগ্ধ করত।
ছোটবেলার দিনগুলি
মুম্বইয়ে বেড়ে ওঠা ঐশ্বর্য ছোট থেকেই পড়াশোনায় অত্যন্ত ভালো ছিলেন। স্কুলে তিনি বিজ্ঞান বিষয়ের ছাত্রী ছিলেন এবং ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন। পরে তিনি স্থপতি হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। তাঁর পরিবারও চেয়েছিল তিনি উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে একটি সম্মানজনক পেশায় প্রতিষ্ঠিত হন।
শৈশবে ঐশ্বর্য শাস্ত্রীয় নৃত্য এবং সংগীতেরও প্রশিক্ষণ নেন। ভারতনাট্যম নাচে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল। বহু সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, নাচ ও সংগীত তাঁর ব্যক্তিত্ব গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। (Encyclopedia Britannica)
শিক্ষা জীবন
ঐশ্বর্য রাই মুম্বইয়ের আর্য বিদ্যা মন্দির স্কুলে পড়াশোনা করেন। পরে তিনি জয় হিন্দ কলেজে ভর্তি হন। এরপর ডি.জি. রুপারেল কলেজে পড়াশোনা করেন। উচ্চমাধ্যমিকে তিনি অত্যন্ত ভালো ফল করেছিলেন। পরবর্তীতে তিনি রচনা সংসদ অ্যাকাডেমি অফ আর্কিটেকচারে ভর্তি হন, কারণ তিনি আর্কিটেক্ট হতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের ডাকে তাঁকে অন্য পথে হাঁটতে হয়। (Encyclopedia Britannica)
মডেলিং জগতে প্রবেশ
ঐশ্বর্য রাইয়ের জীবনের সবচেয়ে বড় মোড় আসে মডেলিংয়ের মাধ্যমে। কলেজে পড়ার সময়ই তিনি কিছু বিজ্ঞাপনে কাজ করেন। খুব অল্প বয়সেই তাঁর সৌন্দর্য নজর কাড়ে বড় বড় ব্র্যান্ডের।
১৯৯১ সালে তিনি একটি আন্তর্জাতিক সুপারমডেল প্রতিযোগিতায় অংশ নেন এবং সফল হন। এরপর আমেরিকান Vogue ম্যাগাজিনেও তাঁর ছবি প্রকাশিত হয়। পরে একটি জনপ্রিয় কোমল পানীয়ের বিজ্ঞাপনে অভিনেতা Aamir Khan-এর সঙ্গে কাজ করে তিনি ব্যাপক পরিচিতি পান। (Encyclopedia Britannica)
সেই সময় থেকেই ফ্যাশন দুনিয়ায় ঐশ্বর্য হয়ে ওঠেন অন্যতম আলোচিত মুখ।
মিস ইন্ডিয়া থেকে মিস ওয়ার্ল্ড
১৯৯৪ সাল ছিল ঐশ্বর্যের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় বছর। তিনি Femina Miss India প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেন এবং রানার-আপ হন। এরপর ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে অংশ নেন Miss World প্রতিযোগিতায়।
দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত সেই প্রতিযোগিতায় তিনি জয় করেন Miss World 1994-এর মুকুট। শুধু তাই নয়, “Miss Photogenic” খেতাবও পান তিনি। বিশ্ব মঞ্চে ভারতের নাম উজ্জ্বল করে তোলেন ঐশ্বর্য। (উইকিপিডিয়া)
সেই মুহূর্তের পর থেকেই তিনি আন্তর্জাতিক স্তরে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন। সংবাদমাধ্যম তাঁকে “বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দরী নারী” বলেও অভিহিত করতে শুরু করে।
অভিনয়ে যোগ দেওয়ার গল্প
মিস ওয়ার্ল্ড জয়ের পর ঐশ্বর্য রাইয়ের কাছে একের পর এক সিনেমার প্রস্তাব আসতে থাকে। প্রথমদিকে তিনি অভিনয় নিয়ে খুব আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না। কারণ তাঁর লক্ষ্য ছিল অন্য পেশা। কিন্তু পরিচালকরা তাঁর সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব এবং ক্যামেরা উপস্থিতিতে মুগ্ধ ছিলেন।
খ্যাতনামা পরিচালক Mani Ratnam তাঁকে প্রথম বড় সুযোগ দেন। ১৯৯৭ সালে তামিল ছবি Iruvar-এর মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন ঐশ্বর্য। একই বছর তাঁর প্রথম হিন্দি ছবি Aur Pyaar Ho Gaya মুক্তি পায়। (উইকিপিডিয়া)
যদিও প্রথম দিকের ছবিগুলি বিশাল ব্যবসা করতে পারেনি, তবে তাঁর সৌন্দর্য ও অভিনয় দক্ষতা নজর কাড়ে দর্শক ও সমালোচকদের।
সুপারস্টার হয়ে ওঠার শুরু
ঐশ্বর্যের কেরিয়ারে আসল পরিবর্তন আসে ১৯৯৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল ছবি Jeans-এর মাধ্যমে। ছবিটি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসা পায়। এরপর ধীরে ধীরে বলিউডে নিজের জায়গা শক্ত করতে থাকেন তিনি।
১৯৯৯ সালে মুক্তি পায় Hum Dil De Chuke Sanam। পরিচালক Sanjay Leela Bhansali-এর এই ছবিতে ঐশ্বর্যের অভিনয় দর্শকদের মন জয় করে। তাঁর বিপরীতে ছিলেন Salman Khan এবং Ajay Devgn। এই ছবির জন্য তিনি Filmfare সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার পান। (উইকিপিডিয়া)
এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
একের পর এক সুপারহিট ছবি
ঐশ্বর্য রাইয়ের কেরিয়ারে বহু স্মরণীয় ছবি রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- Taal
- Mohabbatein
- Devdas
- Dhoom 2
- Guru
- Jodhaa Akbar
- Enthiran (Robot)
- Ponniyin Selvan সিরিজ
Devdas ছবিতে তাঁর পার্বতী চরিত্র আজও দর্শকদের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে। Shah Rukh Khan এবং Madhuri Dixit-এর সঙ্গে তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসিত হয়। (উইকিপিডিয়া)
আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতীয় মুখ
ঐশ্বর্য শুধু বলিউডেই সীমাবদ্ধ থাকেননি। তিনি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র এবং ফ্যাশন জগতেও ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
২০০৩ সালে তিনি Cannes Film Festival-এর জুরি সদস্য হওয়া প্রথম ভারতীয় অভিনেত্রীদের মধ্যে অন্যতম হন। এরপর থেকে প্রায় প্রতি বছরই Cannes-এর লাল গালিচায় তাঁর উপস্থিতি আন্তর্জাতিক সংবাদ শিরোনামে জায়গা করে নিয়েছে। (উইকিপিডিয়া)
২০২৬ সালেও Cannes-এ তাঁর রাজকীয় উপস্থিতি আবারও আলোচনায় আসে। নীল ও গোলাপি গাউনে তাঁর লুক বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পেয়েছে। (The Times of India)
ব্যক্তিগত জীবন
২০০৭ সালে ঐশ্বর্য রাই বিয়ে করেন অভিনেতা Abhishek Bachchan-কে। এরপর তিনি Bachchan পরিবারের অংশ হয়ে ওঠেন। তাঁদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে—আরাধ্যা বচ্চন।
বিয়ের পরও ঐশ্বর্য সিনেমা, বিজ্ঞাপন এবং আন্তর্জাতিক ইভেন্টে সক্রিয় থেকেছেন। মাতৃত্বের পরেও তিনি নিজের জনপ্রিয়তা অটুট রেখেছেন।
ফ্যাশন আইকন হিসেবে ঐশ্বর্য
ঐশ্বর্য রাই শুধু অভিনেত্রী নন, তিনি ভারতীয় ফ্যাশনের অন্যতম আন্তর্জাতিক মুখ। তাঁর সাজ, মেকআপ, গয়না এবং পোশাক নিয়ে সবসময় আলোচনা হয়।
বিশেষ করে Cannes Film Festival-এ তাঁর উপস্থিতি যেন এক ফ্যাশন উৎসব। ভারতীয় ঐতিহ্য এবং আধুনিক গ্ল্যামারকে একসঙ্গে তুলে ধরার জন্য তিনি প্রশংসিত।
কেন তিনি আজও এত জনপ্রিয়?
ঐশ্বর্য রাইয়ের জনপ্রিয়তার পেছনে শুধু সৌন্দর্য নয়, রয়েছে তাঁর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং আন্তর্জাতিক মানের ব্যক্তিত্ব। তিনি এমন এক সময় বলিউডে প্রবেশ করেছিলেন, যখন মডেলদের অভিনেত্রী হিসেবে খুব একটা গুরুত্ব দেওয়া হত না। কিন্তু নিজের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে তিনি সেই ধারণা বদলে দেন। (Reddit)
তিনি প্রমাণ করেছেন, সৌন্দর্যের পাশাপাশি মেধা ও পরিশ্রম থাকলে বিশ্বজয় সম্ভব।
পুরস্কার ও সম্মান
ঐশ্বর্য রাই তাঁর দীর্ঘ কেরিয়ারে বহু পুরস্কার পেয়েছেন। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
- Filmfare Awards
- Padma Shri (২০০৯)
- Ordre des Arts et des Lettres (ফ্রান্স সরকার)
- আন্তর্জাতিক ফ্যাশন ও চলচ্চিত্র সম্মাননা
ভারতীয় সিনেমাকে আন্তর্জাতিক মঞ্চে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। (উইকিপিডিয়া)
নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা
আজকের বহু অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রাইকে অনুপ্রেরণা হিসেবে মানেন। মডেলিং থেকে অভিনয়ে সফল হওয়ার যে রাস্তা তিনি তৈরি করেছেন, তা পরবর্তীকালে অনেক তারকার জন্য পথপ্রদর্শক হয়েছে। (Reddit)
তাঁর জীবন আমাদের শেখায়—স্বপ্ন দেখতে জানতে হয়, আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
ম্যাঙ্গালোরের এক সাধারণ মেয়ের বিশ্বসুন্দরী হয়ে ওঠা, তারপর বলিউড ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র জগতে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করা—ঐশ্বর্য রাইয়ের জীবন সত্যিই অসাধারণ।
তিনি শুধু একজন অভিনেত্রী নন, তিনি ভারতীয় সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক। তাঁর অভিনয়, সৌন্দর্য এবং ব্যক্তিত্ব আগামী প্রজন্মের কাছেও সমানভাবে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।
আজও যখন পর্দায় বা আন্তর্জাতিক মঞ্চে Aishwarya Rai Bachchan-কে দেখা যায়, তখন মনে হয়—তারকাদের ভিড়ে তিনি সত্যিই এক অনন্য নক্ষত্র।
ঐশ্বর্য রাইয়ের বছরভিত্তিক সব সিনেমার তালিকা
ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেন Aishwarya Rai Bachchan। ১৯৯৭ সালে অভিনয় জগতে পা রাখার পর থেকে তিনি হিন্দি, তামিল, বাংলা ও আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন। তাঁর অভিনীত বহু সিনেমা আজও দর্শকদের কাছে ক্লাসিক হিসেবে বিবেচিত। (উইকিপিডিয়া)
নিচে বছরভিত্তিক তাঁর উল্লেখযোগ্য সিনেমার তালিকা দেওয়া হলো।
১৯৯৭
Iruvar (তামিল)
পরিচালক Mani Ratnam-এর রাজনৈতিক ড্রামা। এটি ছিল ঐশ্বর্যের প্রথম সিনেমা। (উইকিপিডিয়া)
Aur Pyaar Ho Gaya
হিন্দি রোমান্টিক ছবি। Bobby Deol-এর বিপরীতে অভিনয় করেন তিনি। (উইকিপিডিয়া)
Aa Ab Laut Chalen
Rajesh Khanna পরিচালিত এই ছবিতে বিশেষ উপস্থিতি ছিল তাঁর। (Reddit)
১৯৯৮
Jeans
দক্ষিণ ভারতীয় পরিচালক Shankar-এর বিখ্যাত ছবি। আন্তর্জাতিকভাবে ছবিটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। (উইকিপিডিয়া)
১৯৯৯
Hum Dil De Chuke Sanam
Sanjay Leela Bhansali পরিচালিত এই ছবি ঐশ্বর্যকে সুপারস্টার বানায়। Salman Khan ও Ajay Devgn ছিলেন সহ-অভিনেতা। (উইকিপিডিয়া)
Taal
Subhash Ghai পরিচালিত মিউজিক্যাল রোম্যান্টিক ছবি। গানগুলো আজও জনপ্রিয়। (Reddit)
২০০০
Josh
Shah Rukh Khan-এর সঙ্গে ভাই-বোনের চরিত্রে অভিনয় করেন। (Reddit)
Hamara Dil Aapke Paas Hai
Anil Kapoor-এর বিপরীতে আবেগঘন চরিত্রে অভিনয় করেন। (YouTube)
Mohabbatein
Aditya Chopra পরিচালিত ব্লকবাস্টার ছবি। Amitabh Bachchan ও Shah Rukh Khan-এর সঙ্গে অভিনয় করেন। (উইকিপিডিয়া)
Dhai Akshar Prem Ke
Abhishek Bachchan-এর সঙ্গে রোমান্টিক ছবি। (Reddit)
Kandukondain Kandukondain (তামিল)
সমালোচকদের প্রশংসিত দক্ষিণী সিনেমা। (Reddit)
২০০১
Albela
Govinda-এর সঙ্গে রোমান্টিক কমেডি। (Reddit)
২০০২
Hum Kisi Se Kum Nahin
কমেডি-ড্রামা ছবি। (Reddit)
23rd March 1931: Shaheed
দেশপ্রেমমূলক ছবিতে বিশেষ চরিত্রে অভিনয়।
Devdas
বলিউডের অন্যতম ক্লাসিক সিনেমা। Shah Rukh Khan ও Madhuri Dixit-এর সঙ্গে অভিনয় করে ঐশ্বর্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি পান। (উইকিপিডিয়া)
২০০৩
Dil Ka Rishta
পারিবারিক রোমান্টিক ছবি।
Kuch Naa Kaho
Abhishek Bachchan-এর সঙ্গে অভিনয় করেন। (Reddit)
Chokher Bali (বাংলা)
খ্যাতনামা পরিচালক Rituparno Ghosh পরিচালিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ছবি। এতে ঐশ্বর্যের অভিনয় বিশেষ প্রশংসা পায়। (Reddit)
২০০৪
Khakee
অ্যাকশন-থ্রিলার ছবি। Amitabh Bachchan ও Akshay Kumar ছিলেন সহ-অভিনেতা।
Bride and Prejudice
আন্তর্জাতিক ইংরেজি ছবি। Jane Austen-এর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। (YouTube)
Raincoat
Ajay Devgn-এর সঙ্গে অভিনীত আবেগঘন ছবি। সমালোচকদের প্রশংসা পায়। (Reddit)
Kyun! Ho Gaya Na…
রোমান্টিক ড্রামা। Vivek Oberoi ছিলেন সহ-অভিনেতা।
২০০৫
Shabd
Sanjay Dutt-এর সঙ্গে অভিনীত ছবি।
The Mistress of Spices
ইংরেজি ভাষার আন্তর্জাতিক ছবি। (Reddit)
২০০৬
Umrao Jaan
ক্লাসিক গল্পের নতুন সংস্করণে অভিনয় করেন।
Dhoom 2
Hrithik Roshan-এর সঙ্গে গ্ল্যামারাস চরিত্রে অভিনয় করে নতুন রেকর্ড গড়েন। ছবিটি বিশাল হিট হয়। (উইকিপিডিয়া)
২০০৭
Guru
Mani Ratnam পরিচালিত ব্যবসাভিত্তিক ড্রামা। Abhishek Bachchan-এর সঙ্গে অভিনয়। (উইকিপিডিয়া)
Provoked
বাস্তব ঘটনার উপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক ছবি।
The Last Legion
হলিউড সিনেমায় অভিনয় করেন ঐশ্বর্য। (Fandango)
২০০৮
Jodhaa Akbar
ঐতিহাসিক রোমান্টিক ছবি। Hrithik Roshan-এর সঙ্গে তাঁর জুটি দর্শকদের মুগ্ধ করে। (উইকিপিডিয়া)
Sarkar Raj
রাজনৈতিক থ্রিলার। Bachchan পরিবারের সঙ্গে অভিনয়।
২০০৯
The Pink Panther 2
হলিউড কমেডি সিরিজে অভিনয় করেন। (উইকিপিডিয়া)
২০১০
Raavan
হিন্দি সংস্করণে অভিনয় করেন। (উইকিপিডিয়া)
Raavanan (তামিল)
তামিল সংস্করণে তাঁর অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা পায়। (উইকিপিডিয়া)
Enthiran (Robot)
Superstar Rajinikanth-এর সঙ্গে অভিনীত ব্লকবাস্টার বিজ্ঞানভিত্তিক ছবি। (উইকিপিডিয়া)
Action Replayy
Akshay Kumar-এর সঙ্গে কমেডি ছবি।
Guzaarish
Hrithik Roshan-এর সঙ্গে আবেগঘন ড্রামা। এটি তাঁর অন্যতম সেরা অভিনয় বলে মনে করা হয়। (উইকিপিডিয়া)
২০১১–২০১৪
এই সময়ে ঐশ্বর্য মাতৃত্ব ও পরিবারকে সময় দেওয়ার জন্য সিনেমা থেকে বিরতি নেন। (উইকিপিডিয়া)
২০১৫
Jazbaa
দীর্ঘ বিরতির পর কামব্যাক ছবি। আইনজীবীর চরিত্রে অভিনয় করেন। (উইকিপিডিয়া)
২০১৬
Sarbjit
বাস্তব জীবনের কাহিনিভিত্তিক ছবি। তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয়।
Ae Dil Hai Mushkil
Karan Johar পরিচালিত জনপ্রিয় রোমান্টিক ড্রামা। Ranbir Kapoor ও Anushka Sharma ছিলেন সহ-অভিনেতা। (উইকিপিডিয়া)
২০১৮
Fanney Khan
Anil Kapoor ও Rajkummar Rao-এর সঙ্গে অভিনীত ছবি। (Fandango)
২০২২
Ponniyin Selvan: I
Mani Ratnam পরিচালিত মহাকাব্যিক ঐতিহাসিক ছবি। Nandini চরিত্রে ঐশ্বর্যের অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। (উইকিপিডিয়া)
২০২৩
Ponniyin Selvan: II
প্রথম ছবির ধারাবাহিকতা। এই ছবিও বক্স অফিসে বিশাল সাফল্য পায়। (Fandango)
ঐশ্বর্য রাইয়ের কেরিয়ারের বিশেষ দিক
- মিস ওয়ার্ল্ড ১৯৯৪ হওয়ার পর অভিনয়ে প্রবেশ
- বলিউড ও দক্ষিণী সিনেমা—দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই সফলতা
- Hollywood ছবিতেও অভিনয়
- Cannes Film Festival-এর আন্তর্জাতিক ফ্যাশন আইকন
- Devdas, Hum Dil De Chuke Sanam, Dhoom 2, Jodhaa Akbar এবং Ponniyin Selvan তাঁর ক্যারিয়ারের মাইলফলক ছবি (উইকিপিডিয়া)
আজও Aishwarya Rai Bachchan ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ও গ্ল্যামারাস তারকা হিসেবে বিবেচিত হন।

