Site icon news100k

Amitabh Bachchan / অমিতাভ বচ্চন: সংগ্রাম, স্বপ্ন আর কিংবদন্তির এক নাটকীয় জীবনগাথা

Spread the love

    Amitabh Bachchan :  অমিতাভ বচ্চন:

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এমন কিছু নাম আছে, যাদের উচ্চারণ করলেই এক আলাদা আবেগ তৈরি হয়। সেই তালিকার শীর্ষে যাঁর নাম জ্বলজ্বল করে, তিনি হলেন Amitabh Bachchan। কোটি কোটি মানুষের কাছে তিনি শুধু একজন অভিনেতা নন, বরং এক অনুভূতি, এক যুগের প্রতীক। তাঁর গম্ভীর কণ্ঠস্বর, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, সংলাপ বলার ভঙ্গি এবং অসাধারণ অভিনয় তাঁকে “বলিউডের শাহেনশাহ” উপাধি এনে দিয়েছে।

কিন্তু এই উজ্জ্বল সাফল্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে দীর্ঘ সংগ্রাম, প্রত্যাখ্যান, চোখের জল, ব্যর্থতা এবং বারবার উঠে দাঁড়ানোর গল্প। এক সাধারণ পরিবারের ছেলেটি কীভাবে ভারতের সবচেয়ে বড় সুপারস্টার হয়ে উঠলেন, সেই গল্প যেন কোনো সিনেমার চেয়েও বেশি নাটকীয়।

আজকের এই বিস্তৃত ব্লগে আমরা জানব অমিতাভ বচ্চনের জন্ম থেকে শুরু করে শৈশব, পড়াশোনা, পারিবারিক জীবন, অভিনয়ে আসার কারণ, তাঁর সংগ্রাম, জনপ্রিয়তা, দুর্ঘটনা, রাজনীতি, পরিবার এবং তাঁর জীবনের নানা অজানা অধ্যায়।


জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়

Amitabh Bachchan জন্মগ্রহণ করেন ১১ অক্টোবর ১৯৪২ সালে ভারতের উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ শহরে, যা বর্তমানে প্রয়াগরাজ নামে পরিচিত।

তাঁর বাবার নাম ছিল Harivansh Rai Bachchan। তিনি ছিলেন হিন্দি সাহিত্যের এক কিংবদন্তি কবি। তাঁর লেখা “মধুশালা” আজও ভারতীয় সাহিত্যপ্রেমীদের হৃদয়ে অমর হয়ে আছে।

অমিতাভের মায়ের নাম Teji Bachchan। তিনি ছিলেন অত্যন্ত সংস্কৃতিমনা এবং নাট্যচর্চার সঙ্গে যুক্ত। পরিবারের সাংস্কৃতিক পরিবেশ ছোটবেলা থেকেই অমিতাভের মনকে শিল্পের দিকে আকৃষ্ট করেছিল।

অমিতাভ বচ্চনের আসল পদবি ছিল “শ্রীবাস্তব”। কিন্তু তাঁর বাবা সাহিত্য জগতে “বচ্চন” নাম ব্যবহার করতেন। পরবর্তীতে পুরো পরিবারই সেই পদবি গ্রহণ করে।


শৈশবের দিনগুলি

অমিতাভ ছোটবেলায় খুব লাজুক স্বভাবের ছিলেন। তিনি খুব বেশি বন্ধুদের সঙ্গে মিশতেন না। অনেক সময় একা একা বই পড়তে ভালোবাসতেন। তবে তাঁর ভেতরে ছিল এক অদ্ভুত কৌতূহল এবং গভীর পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা।

শৈশব থেকেই তাঁর কণ্ঠস্বর ছিল ভারী ও আলাদা ধরনের। কিন্তু মজার বিষয় হলো, এই কণ্ঠস্বরের জন্যই পরবর্তীতে তাঁকে অল ইন্ডিয়া রেডিওতে প্রত্যাখ্যাত হতে হয়েছিল। যাঁরা বলেছিলেন তাঁর কণ্ঠস্বর ভালো নয়, তাঁরাই হয়তো কল্পনাও করতে পারেননি একদিন এই কণ্ঠই ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় কণ্ঠ হয়ে উঠবে।

অমিতাভের মা চেয়েছিলেন তিনি নাটক ও অভিনয়ের জগতে আসুন। কারণ তিনি ছোট থেকেই ছেলের মধ্যে অভিনয়ের গুণ দেখতে পেতেন।


শিক্ষাজীবন

অমিতাভ বচ্চনের শিক্ষাজীবনও ছিল অত্যন্ত সমৃদ্ধ।

প্রথমে তিনি এলাহাবাদের “জ্ঞান প্রভোধিনী” ও পরে “বয়েজ হাই স্কুল”-এ পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি ভর্তি হন বিখ্যাত Sherwood College-এ।

নৈনিতালের সেই বোর্ডিং স্কুলে তিনি নাটক, আবৃত্তি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিতে শুরু করেন। সেখানেই ধীরে ধীরে তাঁর ভেতরের অভিনেতা জেগে ওঠে।

এরপর তিনি দিল্লির Kirori Mal College থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। কলেজ জীবনে তিনি থিয়েটার এবং নাট্যচর্চায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।


কেন অভিনয়ে আসলেন?

এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গেলে আমাদের ফিরে যেতে হবে তাঁর পারিবারিক পরিবেশে।

তাঁর বাবা ছিলেন কবি, মা ছিলেন নাট্যপ্রেমী। ছোটবেলা থেকেই তাঁদের বাড়িতে সাহিত্যিক, শিল্পী, নাট্যকারদের আনাগোনা ছিল। সেই পরিবেশ অমিতাভকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।

কিন্তু শুধু পরিবেশই নয়, তাঁর নিজের মধ্যেও ছিল অভিনয়ের প্রতি তীব্র আকর্ষণ। তিনি মানুষের আবেগ প্রকাশ করতে ভালোবাসতেন। বিভিন্ন চরিত্রে নিজেকে কল্পনা করতেন।

আরেকটি বড় কারণ ছিল আত্মপ্রমাণের ইচ্ছা। লম্বা চেহারা, ভারী কণ্ঠস্বর এবং গায়ের রঙের জন্য তিনি বহুবার উপহাসের শিকার হয়েছিলেন। অনেকেই বলতেন, “এই ছেলে কখনও নায়ক হতে পারবে না।”

সেই অপমানই তাঁকে আরও জেদি করে তোলে।


কলকাতায় চাকরিজীবন

অনেকেই জানেন না, অভিনয়ে আসার আগে অমিতাভ বচ্চন কলকাতায় চাকরি করতেন।

তিনি একটি শিপিং ফার্মে কাজ করতেন। তখন তিনি নিয়মিত নাটক দেখতেন এবং থিয়েটারে অংশ নিতেন।

কলকাতার সাংস্কৃতিক পরিবেশ তাঁর চিন্তাভাবনাকে আরও সমৃদ্ধ করে। এখানেই তিনি বুঝতে পারেন, তাঁর প্রকৃত স্বপ্ন অভিনয়।

অবশেষে তিনি চাকরি ছেড়ে মুম্বাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।


মুম্বাইয়ে সংগ্রামের দিন

মুম্বাইয়ে এসে তাঁর জীবন মোটেও সহজ ছিল না।

তিনি একের পর এক প্রযোজকের দরজায় ঘুরেছেন। কিন্তু সবাই একই কথা বলত—

অনেক সময় রাতে থাকার জায়গাও থাকত না। বন্ধুর বাড়িতে রাত কাটাতে হতো।

তবুও তিনি হার মানেননি।


প্রথম সিনেমা ও ব্যর্থতা

১৯৬৯ সালে তিনি প্রথম কাজ পান Saat Hindustani সিনেমায়।

সিনেমাটি ব্যবসাসফল হয়নি, কিন্তু অমিতাভের অভিনয় নজর কাড়ে। এরপর একের পর এক ছবি করলেও সেভাবে সাফল্য আসছিল না।

অনেকে তাঁকে “ফ্লপ হিরো” বলতে শুরু করে।

কিন্তু ভাগ্য বদলাতে বেশি সময় লাগেনি।


অ্যাংরি ইয়ং ম্যানের জন্ম

১৯৭৩ সালে মুক্তি পায় Zanjeer।

এই সিনেমাই বদলে দেয় অমিতাভ বচ্চনের জীবন।

ভারতের সাধারণ মানুষ তখন দুর্নীতি, বেকারত্ব এবং সামাজিক অবিচারে ক্ষুব্ধ ছিল। অমিতাভ সেই ক্ষোভকে পর্দায় জীবন্ত করে তুললেন।

তিনি হয়ে উঠলেন “অ্যাংরি ইয়ং ম্যান”।

এরপর একের পর এক সুপারহিট সিনেমা—

তিনি রাতারাতি ভারতের সবচেয়ে বড় তারকা হয়ে ওঠেন।


প্রেম ও বিবাহ

অমিতাভ বচ্চনের জীবনে প্রেমও ছিল অত্যন্ত আলোচিত বিষয়।

তিনি বিয়ে করেন Jaya Bachchan-কে।

১৯৭৩ সালে তাঁদের বিয়ে হয়। তাঁদের দুটি সন্তান—

পরে তাঁদের পরিবারে যোগ দেন Aishwarya Rai Bachchan।


কুলি সিনেমার ভয়াবহ দুর্ঘটনা

১৯৮২ সালে Coolie সিনেমার শুটিং চলাকালে ঘটে ভয়াবহ দুর্ঘটনা।

একটি অ্যাকশন দৃশ্যে গুরুতর আহত হন অমিতাভ।

পুরো দেশ তাঁর জন্য প্রার্থনা করতে শুরু করে। হাসপাতালের বাইরে লাখো মানুষের ভিড় জমে যায়।

ডাক্তাররা প্রায় আশা ছেড়ে দিয়েছিলেন।

কিন্তু মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে তিনি ফিরে আসেন।

এই ঘটনা প্রমাণ করে, তিনি শুধু অভিনেতা নন—তিনি কোটি মানুষের আবেগ।


রাজনীতিতে প্রবেশ

একসময় অমিতাভ রাজনীতিতেও যোগ দেন।

তিনি Rajiv Gandhi-র ঘনিষ্ঠ বন্ধু ছিলেন। তাঁর অনুপ্রেরণায় তিনি নির্বাচনে দাঁড়ান এবং জয়ীও হন।

কিন্তু রাজনীতির পরিবেশ তাঁর ভালো লাগেনি। কিছুদিনের মধ্যেই তিনি রাজনীতি থেকে সরে আসেন।


ব্যবসায় ব্যর্থতা ও আর্থিক সংকট

১৯৯০-এর দশকে তিনি গড়ে তোলেন “এবিসিএল” নামের একটি কোম্পানি।

কিন্তু ব্যবসায় বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েন।

তিনি প্রায় দেউলিয়া হয়ে যান। বাড়ি পর্যন্ত বিক্রি হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

এই সময় অনেকেই ভেবেছিলেন অমিতাভের ক্যারিয়ার শেষ।

কিন্তু এখান থেকেই শুরু হয় তাঁর দ্বিতীয় ইনিংস।


কৌন বনেগা ক্রোড়পতি: জীবনের মোড় ঘোরানো অধ্যায়

২০০০ সালে তিনি সঞ্চালক হিসেবে আসেন Kaun Banega Crorepati অনুষ্ঠানে।

এই অনুষ্ঠান তাঁর জীবন আবার বদলে দেয়।

তাঁর ভদ্র ব্যবহার, কণ্ঠস্বর, সাধারণ মানুষের সঙ্গে সংযোগ—সবকিছু দর্শকদের হৃদয় জয় করে নেয়।

তিনি আবারও ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন।


অভিনয়ের নতুন অধ্যায়

বয়স বাড়লেও তাঁর অভিনয়ের শক্তি কমেনি।

বরং তিনি আরও শক্তিশালী চরিত্রে অভিনয় করতে শুরু করেন।

যেমন—

এই সিনেমাগুলো প্রমাণ করে, প্রকৃত শিল্পীর কোনো বয়স হয় না।


তাঁর কণ্ঠস্বর কেন এত বিখ্যাত?

অমিতাভ বচ্চনের কণ্ঠস্বর ভারতীয় সিনেমার সবচেয়ে শক্তিশালী কণ্ঠগুলোর একটি।

তাঁর সংলাপ বলার ভঙ্গি দর্শকদের আবেগের গভীরে পৌঁছে যায়।

আজও বহু বিজ্ঞাপন, কবিতা আবৃত্তি ও ডকুমেন্টারিতে তাঁর কণ্ঠ ব্যবহার করা হয়।


তাঁর ব্যক্তিত্বের বিশেষ দিক

অমিতাভ বচ্চনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো তাঁর শৃঙ্খলা।

তিনি সময় মেনে কাজ করেন, নিয়মিত শরীরচর্চা করেন এবং প্রতিটি চরিত্রের জন্য কঠোর পরিশ্রম করেন।

তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অত্যন্ত সক্রিয়।


পুরস্কার ও সম্মান

অমিতাভ বচ্চন অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন।

তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য—

তিনি ভারতীয় সিনেমার সর্বোচ্চ সম্মানগুলোর অন্যতম প্রতীক।


অমিতাভ বচ্চনের জীবন থেকে শেখার বিষয়

তাঁর জীবন আমাদের কয়েকটি বড় শিক্ষা দেয়—

১. ব্যর্থতা শেষ নয়

বারবার ব্যর্থ হয়েও তিনি থামেননি।

২. আত্মবিশ্বাস সবচেয়ে বড় শক্তি

সবাই তাঁকে প্রত্যাখ্যান করেছিল, কিন্তু তিনি নিজেকে বিশ্বাস করেছিলেন।

৩. পরিশ্রমের বিকল্প নেই

তিনি আজও কঠোর পরিশ্রম করেন।

৪. নতুনভাবে ফিরে আসা সম্ভব

দেউলিয়া অবস্থা থেকেও তিনি আবার উঠে দাঁড়িয়েছেন।


কেন তিনি আজও কিংবদন্তি?

কারণ অমিতাভ বচ্চন শুধু সিনেমার নায়ক নন।

তিনি সংগ্রামের প্রতীক।
তিনি আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।
তিনি পুনর্জন্মের প্রতীক।

তাঁর জীবন যেন এক মহাকাব্য—যেখানে আছে স্বপ্ন, ব্যর্থতা, প্রেম, বেদনা, যুদ্ধ এবং বিজয়

 

Amitabh Bachchan-এর জীবন এমন এক অনুপ্রেরণার গল্প, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম মানুষকে সাহস জোগাবে।

এক সাধারণ ছেলে থেকে “বলিউডের শাহেনশাহ” হয়ে ওঠার যাত্রা কখনও সহজ ছিল না। কিন্তু তাঁর অদম্য ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাস তাঁকে অমর করে তুলেছে।

আজও যখন তিনি পর্দায় আসেন, দর্শক মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। কারণ কিংবদন্তিরা কখনও বুড়ো হন না—তাঁরা সময়ের সঙ্গে আরও মহিমান্বিত হয়ে ওঠেন।

অমিতাভ বচ্চনের বছরভিত্তিক জনপ্রিয় সিনেমার তালিকা

ভারতীয় চলচ্চিত্র ইতিহাসে Amitabh Bachchan এমন এক অভিনেতা, যিনি পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে দর্শকদের মন জয় করে চলেছেন। অ্যাকশন, রোম্যান্স, কমেডি, সামাজিক বার্তা—সব ধরনের চরিত্রে তিনি নিজের অসাধারণ অভিনয় দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। নিচে বছরভিত্তিক তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ও জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর একটি বিস্তৃত তালিকা দেওয়া হলো।


১৯৬৯

Saat Hindustani

অমিতাভ বচ্চনের প্রথম সিনেমা। এই ছবির মাধ্যমে তিনি বলিউডে আত্মপ্রকাশ করেন।


১৯৭১

Anand

এখানে তিনি ডক্টর ভাস্করের চরিত্রে অভিনয় করেন। Rajesh Khanna-র সঙ্গে তাঁর অভিনয় বিশেষ প্রশংসা পায়।

Parwana

এই ছবিতে তিনি নেগেটিভ চরিত্রে অভিনয় করেন।


১৯৭২

Bombay to Goa

কমেডি ও রোমাঞ্চে ভরা এই সিনেমা তাঁকে জনপ্রিয়তা এনে দেয়।


১৯৭৩

Zanjeer

এই সিনেমাই তাঁকে “অ্যাংরি ইয়ং ম্যান” হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।

Abhimaan

Jaya Bachchan-এর সঙ্গে তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে।

Namak Haraam

বন্ধুত্ব ও সমাজব্যবস্থার উপর নির্মিত শক্তিশালী ছবি।


১৯৭৫

Sholay

ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে অন্যতম সেরা চলচ্চিত্র।

Deewar

“মেরে পাস মা হ্যায়” সংলাপ আজও বিখ্যাত।

Chupke Chupke

কমেডি ঘরানার অসাধারণ ছবি।

Mili

আবেগঘন প্রেমের গল্প।


১৯৭৭

Amar Akbar Anthony

তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি-ড্রামা।

Khoon Pasina

অ্যাকশনধর্মী সফল ছবি।

Parvarish

পারিবারিক নাটক ও আবেগে ভরা।


১৯৭৮

Don

ডাবল রোলে তাঁর অভিনয় আজও কিংবদন্তি।

Muqaddar Ka Sikandar

দুঃখ, প্রেম ও সংগ্রামের অসাধারণ উপস্থাপন।

Trishul

প্রতিশোধের গল্পে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়।

Kasme Vaade

দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেন।


১৯৭৯

Mr. Natwarlal

এই ছবিতে তিনি প্রথম গানও গেয়েছিলেন।

Kaala Patthar

খনি দুর্ঘটনার পটভূমিতে নির্মিত শক্তিশালী চলচ্চিত্র।

Suhaag

অ্যাকশন ও পারিবারিক নাটকের মিশ্রণ।


১৯৮১

Silsila

রোম্যান্টিক ড্রামা হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয়।

Laawaris

“মেরে অঙ্গনে মে” গানটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়।

Naseeb

মাল্টিস্টারার হিট সিনেমা।


১৯৮২

Satte Pe Satta

কমেডি ও পারিবারিক বিনোদনের দুর্দান্ত ছবি।

Namak Halaal

“আই ক্যান টক ইংলিশ” সংলাপ বিখ্যাত হয়।

Shakti

Dilip Kumar-এর সঙ্গে তাঁর অভিনয় ইতিহাস তৈরি করে।


১৯৮৩

Coolie

এই সিনেমার শুটিং চলাকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।


১৯৮৪

Sharaabi

মদ্যপ ধনী যুবকের চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান।


১৯৯০

Agneepath

বিজয় দিনানাথ চৌহানের চরিত্র তাঁকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।


১৯৯১

Hum

এই সিনেমার “জুম্মা চুম্মা” গান ব্যাপক জনপ্রিয় হয়।


১৯৯৮

Bade Miyan Chote Miyan

কমেডি ও অ্যাকশনে ভরপুর হিট ছবি।


২০০০

Mohabbatein

কঠোর অধ্যক্ষের চরিত্রে নতুনভাবে দর্শকদের মন জয় করেন।


২০০১

Kabhi Khushi Kabhie Gham

পারিবারিক আবেগঘন ব্লকবাস্টার সিনেমা।


২০০৩

Baghban

বৃদ্ধ বাবা-মায়ের আবেগঘন গল্প।


২০০৫

Black

এই ছবিতে তাঁর অভিনয়কে ক্যারিয়ারের সেরা বলা হয়।


২০০৯

Paa

এখানে তিনি বিরল রোগে আক্রান্ত এক শিশুর চরিত্রে অভিনয় করেন।


২০১৩

Satyagraha

সামাজিক ও রাজনৈতিক বার্তাধর্মী ছবি।


২০১৫

Piku

বাবা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে নির্মিত অসাধারণ সিনেমা।


২০১৬

Pink

নারী স্বাধীনতা ও সম্মতি নিয়ে শক্তিশালী বার্তা দেয় এই ছবি।


২০১৮

102 Not Out

বাবা-ছেলের সম্পর্কের আবেগঘন গল্প।


২০১৯

Badla

থ্রিলার ঘরানার জনপ্রিয় সিনেমা।


২০২২

Brahmāstra: Part One – Shiva

ফ্যান্টাসি অ্যাডভেঞ্চার ঘরানায় তাঁর উপস্থিতি দর্শকদের আকর্ষণ করে।


২০২৩

Ganapath

অ্যাকশনধর্মী ভবিষ্যৎভিত্তিক সিনেমা।


২০২৪

Kalki 2898 AD

ভারতীয় সাই-ফাই সিনেমার বড় প্রজেক্টগুলোর একটি।


Please follow and like us:
Exit mobile version