Site icon news100k

Ishan Kishan এক সাধারণ পরিবারের থেকে উঠে এসে ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার

Ishan kishan

Spread the love

  Ishan Kishan : পাটনার সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার

ঈশান কিশান: সংগ্রাম, স্বপ্ন ও সাফল্যের এক অনুপ্রেরণামূলক গল্প

ভারতীয় ক্রিকেটে এমন কিছু তারকা আছেন যারা নিজেদের প্রতিভা, পরিশ্রম এবং আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। সেই তালিকায় অন্যতম উজ্জ্বল নাম হলেন Ishan Kishan। বাঁহাতি এই ব্যাটার এবং উইকেটকিপার শুধু তাঁর বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ের জন্যই পরিচিত নন, বরং তাঁর সংগ্রামের গল্পও অসংখ্য তরুণ ক্রিকেটারের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।

আজকের এই বিশেষ প্রতিবেদনে আমরা জানব ঈশান কিশানের জন্ম, পরিবার, শৈশব, পড়াশোনা, ক্রিকেটে হাতেখড়ি, ঘরোয়া ক্রিকেটে উত্থান, আইপিএলের সাফল্য, ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার গল্প এবং কীভাবে তিনি ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় ক্রিকেট তারকায় পরিণত হলেন।

জন্ম ও পারিবারিক পরিচয়

ঈশান কিশানের জন্ম ১৮ জুলাই ১৯৯৮ সালে ভারতের Patna শহরে। ক্রিকেটার হিসেবে তাঁর পরিচয় আজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়লেও শুরুটা ছিল একেবারেই সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে।

তাঁর বাবার নাম প্রণব কুমার পাণ্ডে। তিনি পেশায় একজন বিল্ডার ও ব্যবসায়ী। অন্যদিকে তাঁর মা সুচিত্রা সিং একজন গৃহিণী। পরিবারের সদস্যরা সবসময় ঈশানের স্বপ্নকে গুরুত্ব দিয়েছেন। ছোটবেলা থেকেই তাঁর পরিবার বুঝতে পেরেছিল যে ছেলেটির মধ্যে বিশেষ কিছু আছে।

ঈশানের বড় ভাই রাজ কিশানও ক্রিকেট খেলতেন। অনেকেই মনে করেন, বড় ভাইয়ের ক্রিকেট খেলার প্রতি আগ্রহ দেখেই ঈশানের ক্রিকেটপ্রেম জন্ম নেয়। ভাইয়ের সঙ্গে মাঠে যাওয়া, ক্রিকেট দেখা এবং ব্যাট হাতে খেলার মধ্য দিয়েই তাঁর ক্রিকেটযাত্রার শুরু।Ishan Kishan

শৈশব: দুষ্টুমি আর ক্রিকেটে ভরা দিন

ঈশানের শৈশব ছিল প্রাণবন্ত এবং খেলাধুলামুখী। স্কুলের বইয়ের চেয়ে তাঁর কাছে ক্রিকেট ব্যাট অনেক বেশি আকর্ষণীয় ছিল। পড়াশোনার পাশাপাশি দিনের বেশিরভাগ সময়ই কাটত মাঠে।

ছোটবেলায় বন্ধুদের সঙ্গে টেনিস বল ক্রিকেট খেলতে খেলতেই তাঁর ব্যাটিং প্রতিভা নজরে পড়তে শুরু করে। পরিবারের সদস্যরা লক্ষ্য করেন যে ঈশান অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি দক্ষতার সঙ্গে ব্যাট করতে পারেন।

তিনি খুব ছোট বয়স থেকেই আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করতেন। বল দেখলেই বড় শট মারার চেষ্টা করতেন। সেই স্বভাব আজও তাঁর ব্যাটিংয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।Ishan Kishan

শিক্ষাজীবন

ঈশান কিশান পাটনার দিল্লি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেন। পড়াশোনায় তিনি খারাপ ছিলেন না, তবে ক্রিকেটের প্রতি ভালোবাসা এতটাই বেশি ছিল যে ধীরে ধীরে ক্রিকেটই হয়ে ওঠে তাঁর জীবনের প্রধান লক্ষ্য।

স্কুলে পড়ার সময়ই বিভিন্ন আন্তঃস্কুল টুর্নামেন্টে অংশ নিতে শুরু করেন। একের পর এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলে তিনি কোচদের নজর কাড়েন।

যখন ক্রিকেটে তাঁর ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল বলে মনে হতে শুরু করে, তখন পরিবারও সিদ্ধান্ত নেয় যে তাঁকে ক্রিকেটে আরও বেশি সময় দেওয়া উচিত।

ক্রিকেটে প্রথম পদক্ষেপ

পাটনায় ক্রিকেটের পরিকাঠামো খুব শক্তিশালী ছিল না। ফলে বড় মঞ্চে ওঠার জন্য ঈশানকে অনেক বাধার মুখোমুখি হতে হয়।

বিহার ক্রিকেট সংক্রান্ত প্রশাসনিক সমস্যার কারণে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটারের মতো ঈশানও সমস্যায় পড়েছিলেন। সেই সময় তাঁর ক্যারিয়ার প্রায় থমকে যাওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হয়।

তবে তিনি হার মানেননি। আরও ভালো সুযোগের সন্ধানে তিনি Ranchi চলে যান।

এই সিদ্ধান্তই তাঁর জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

ঝাড়খণ্ডে নতুন শুরু Ishan Kishan

রাঁচিতে গিয়ে ঈশান নতুন করে নিজের ক্রিকেটজীবন গড়ে তুলতে শুরু করেন। সেখানে তিনি আরও উন্নত প্রশিক্ষণ এবং প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ পান।

ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ পান। ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের মাধ্যমে দ্রুতই নির্বাচকদের নজরে চলে আসেন।

তাঁর ব্যাটিংয়ের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য ছিল নির্ভীক মানসিকতা। বড় বোলার হোক কিংবা চাপের পরিস্থিতি—ঈশান সবসময় আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলতে পছন্দ করতেন।

অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেটে উত্থান

ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলে সুযোগ পাওয়া ছিল ঈশানের ক্যারিয়ারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।

তিনি শুধু দলে জায়গা পাননি, বরং পরবর্তীতে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ দলের অধিনায়কও হন।

২০১৬ সালের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তিনি ভারতকে নেতৃত্ব দেন। যদিও ভারত ফাইনালে হেরে যায়, তবুও ঈশানের নেতৃত্ব এবং ব্যাটিং ব্যাপক প্রশংসা পায়।Ishan Kishan

এই টুর্নামেন্ট তাঁকে জাতীয় পর্যায়ে পরিচিতি এনে দেয়।

ঘরোয়া ক্রিকেটে বিস্ফোরক পারফরম্যান্স

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পর ঈশান ঘরোয়া ক্রিকেটে নিজের সেরাটা দিতে শুরু করেন।

Ranji Trophy-তে তিনি একের পর এক দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন।

বিশেষ করে দীর্ঘ ফরম্যাটে বড় রান করার ক্ষমতা দেখিয়ে তিনি প্রমাণ করেন যে তিনি শুধু টি-টোয়েন্টি ব্যাটার নন।

একটি ইনিংসে ২০০-এর বেশি রান করে তিনি সারা দেশের ক্রিকেটপ্রেমীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আইপিএলে সুযোগ পাওয়ার গল্প

ভারতের যেকোনো তরুণ ক্রিকেটারের মতো ঈশানেরও স্বপ্ন ছিল আইপিএলে খেলার।

সেই স্বপ্ন পূরণ হয় যখন তাঁকে আইপিএল নিলামে দলে নেওয়া হয়।

প্রথম দিকে সুযোগ সীমিত থাকলেও তিনি যখনই সুযোগ পেয়েছেন, নিজের প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন।

তাঁর নির্ভীক ব্যাটিং দ্রুতই ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের নজর কাড়ে।Ishan Kishan

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সে সোনালি অধ্যায়

ঈশানের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে যখন তিনি Mumbai Indians-এ যোগ দেন।

মুম্বাইয়ের মতো সফল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তিনি বিশ্বের সেরা ক্রিকেটারদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ পান।

এখানেই তাঁর ব্যাটিং আরও পরিণত হয়।

বড় ম্যাচে চাপ সামলানো, ইনিংস গড়া এবং প্রয়োজনে দ্রুত রান তোলা—সবকিছুতেই উন্নতি করতে থাকেন।

আইপিএলে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি

আইপিএলে ধারাবাহিক পারফরম্যান্সের ফলে ঈশান কিশান দ্রুতই ভক্তদের প্রিয় খেলোয়াড় হয়ে ওঠেন।

তাঁর আক্রমণাত্মক ব্যাটিং দর্শকদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করে।

পাওয়ারপ্লেতে বড় শট খেলার দক্ষতা তাঁকে আলাদা পরিচিতি দেয়।

একাধিক ম্যাচে এককভাবে দলের জয় নিশ্চিত করে তিনি নিজেকে বড় ম্যাচের খেলোয়াড় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।

ভারতীয় জাতীয় দলে সুযোগ

আইপিএল এবং ঘরোয়া ক্রিকেটে ধারাবাহিক সাফল্যের ফল হিসেবে অবশেষে ভারতীয় দলে ডাক আসে।

ভারতের জার্সি গায়ে চাপানো ছিল তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন।

যেদিন তিনি প্রথমবার জাতীয় দলের হয়ে মাঠে নামেন, সেদিন তাঁর পরিবারের আনন্দ ছিল ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।

বহু বছরের পরিশ্রম অবশেষে সফল হয়।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক

ভারতের হয়ে অভিষেক ম্যাচেই ঈশান আত্মবিশ্বাসী ব্যাটিং করেন।

তাঁর ব্যাটিং স্টাইল ছিল সম্পূর্ণ আধুনিক ক্রিকেটের উপযোগী।

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলে তিনি নির্বাচকদের আস্থা অর্জন করেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে স্মরণীয় মুহূর্ত

ঈশানের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় অর্জন হল একদিনের ক্রিকেটে দ্বিশতরান।

তিনি বিশ্বের দ্রুততম দ্বিশতরানের অন্যতম রেকর্ড গড়ে ক্রিকেট বিশ্বকে চমকে দেন।

সেই ইনিংস তাঁকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায়।

বিশ্বের সেরা বোলারদের বিরুদ্ধে এমন ইনিংস খেলে তিনি প্রমাণ করেন যে বড় মঞ্চে সফল হওয়ার সামর্থ্য তাঁর রয়েছে।

ব্যাটিং স্টাইলের বিশেষত্ব

ঈশান কিশানের ব্যাটিংয়ের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো হলো—

তাঁর ব্যাটিংয়ে আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সব উপাদানই দেখা যায়।

উইকেটকিপিং দক্ষতা

শুধু ব্যাটার হিসেবেই নয়, উইকেটকিপার হিসেবেও ঈশান অত্যন্ত কার্যকর।

দ্রুত স্টাম্পিং, ক্যাচ নেওয়ার দক্ষতা এবং মাঠে প্রাণবন্ত উপস্থিতি তাঁকে দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য করে তুলেছে।

সংগ্রামের গল্প

আজ তিনি তারকা হলেও পথটা মোটেও সহজ ছিল না।

বিহার ক্রিকেটের সংকট, সুযোগের অভাব, কঠিন প্রতিযোগিতা—সবকিছু পেরিয়ে তাঁকে এগিয়ে আসতে হয়েছে।

অনেক সময় ব্যর্থতাও এসেছে।

কিন্তু তিনি কখনও হাল ছাড়েননি।

এই মানসিক দৃঢ়তাই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে।

তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা

ঈশান কিশানের জীবন প্রমাণ করে যে বড় শহরে জন্ম না হলেও, সীমিত সুযোগ থাকলেও এবং নানা বাধা থাকলেও স্বপ্ন পূরণ করা সম্ভব।

প্রয়োজন শুধু কঠোর পরিশ্রম, আত্মবিশ্বাস এবং নিজের লক্ষ্যকে কখনও না ভুলে যাওয়া।

ব্যক্তিগত জীবন ও জনপ্রিয়তা

ক্রিকেট মাঠের বাইরে ঈশান একজন প্রাণবন্ত এবং হাসিখুশি মানুষ হিসেবে পরিচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা রয়েছে।

তরুণ ক্রিকেটাররা তাঁর ব্যাটিং স্টাইল অনুকরণ করার চেষ্টা করেন।

ভারতের নতুন প্রজন্মের ক্রিকেট তারকাদের মধ্যে তিনি অন্যতম পরিচিত মুখ।

ভবিষ্যতের লক্ষ্য

ঈশান কিশানের সামনে এখনও অনেক বড় লক্ষ্য রয়েছে।

ভারতের হয়ে বিশ্বকাপ জয়, আরও বড় রেকর্ড গড়া এবং আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দীর্ঘ সময় ধরে সফল থাকা—এসবই তাঁর স্বপ্নের অংশ।

তাঁর প্রতিভা, পরিশ্রম এবং লড়াইয়ের মানসিকতা বিবেচনা করলে বলা যায়, আগামী বছরগুলোতে ভারতীয় ক্রিকেটে তাঁর অবদান আরও বাড়বে।

পাটনার এক সাধারণ পরিবারের ছেলে থেকে ভারতীয় ক্রিকেটের সুপারস্টার হয়ে ওঠার গল্প সত্যিই অসাধারণ। জন্ম ১৮ জুলাই ১৯৯৮ সালে, শৈশবের ক্রিকেটপ্রীতি, পরিবারের সমর্থন, ঝাড়খণ্ডে সংগ্রাম, অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নেতৃত্ব, আইপিএলের সাফল্য এবং শেষ পর্যন্ত ভারতীয় জাতীয় দলে সুযোগ—প্রতিটি ধাপই ঈশান কিশানের জীবনের অনুপ্রেরণামূলক অধ্যায়।

তাঁর জীবনের বার্তা একটাই—স্বপ্ন যদি বড় হয় এবং সেই স্বপ্নের জন্য নিরলস পরিশ্রম করা যায়, তাহলে কোনো বাধাই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের পথে দাঁড়াতে পারে না। আজ ঈশান কিশান শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি লক্ষ লক্ষ তরুণের কাছে অধ্যবসায়, সাহস এবং আত্মবিশ্বাসের প্রতীক।

ঈশান কিষাণ: মোট ক্যারিয়ার রান, বছরভিত্তিক রান, ট্রফি ও ম্যান অব দ্য ম্যাচ

ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম বিস্ফোরক বাঁহাতি ব্যাটার ও উইকেটকিপার হলেন Ishan Kishan। আক্রমণাত্মক ব্যাটিং, দ্রুত রান তোলার ক্ষমতা এবং ম্যাচ ঘুরিয়ে দেওয়ার সামর্থ্যের কারণে তিনি ভারতের সাদা বলের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে উঠেছেন।

ঈশান কিষাণের মোট আন্তর্জাতিক রান

২০২৬ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ঈশান কিষাণের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের রান:

ফরম্যাট ম্যাচ রান সর্বোচ্চ
টেস্ট 2 78 52*
ওয়ানডে 27 933 210
টি-২০ আন্তর্জাতিক 45 1328 103
মোট আন্তর্জাতিক রান 74 2339 210

তাঁর ওয়ানডে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ স্কোর ২১০ রান, যা বাংলাদেশের বিপক্ষে করা হয়েছিল। তিনি বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী ক্রিকেটারদের একজন যিনি ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি করেছেন।

সব ধরনের ক্রিকেটে মোট রান

ফরম্যাট রান
টেস্ট 78
ওয়ানডে 933
টি-২০ আন্তর্জাতিক 1328
আইপিএল 3567+
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট 3893+
লিস্ট-এ ক্রিকেট 4023+

সব ধরনের স্বীকৃত ক্রিকেট মিলিয়ে তাঁর ক্যারিয়ার রান ১৩,০০০-এরও বেশি।


বছরভিত্তিক ক্যারিয়ার যাত্রা

২০১৬

২০১৭

২০১৮

২০১৯

২০২০

২০২১

২০২২

২০২৩

২০২৪

২০২৫

২০২৬


ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় অর্জন

১. ওয়ানডেতে ডাবল সেঞ্চুরি

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ২১০ রান করে ইতিহাস গড়েন। তিনি বিশ্বের দ্রুততম ওয়ানডে ডাবল সেঞ্চুরিয়ানদের একজন।

২. আন্তর্জাতিক অভিষেকে অর্ধশতক

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম আন্তর্জাতিক টি-২০ ম্যাচেই ফিফটি করেন।

৩. টি-২০ আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি

নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ১০৩ রান করে আন্তর্জাতিক টি-২০ সেঞ্চুরি করেন।  

৪. ভারতীয় বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য

২০২৬ টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতের সাফল্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

৫. ঝাড়খণ্ডকে ঐতিহাসিক শিরোপা

অধিনায়ক হিসেবে প্রথমবারের মতো সাইয়েদ মুস্তাক আলি ট্রফি জেতান।


জেতা ট্রফি

ট্রফি বছর
আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপ 2026
আইপিএল 2020
আইপিএল 2019
সাইয়েদ মুস্তাক আলি ট্রফি (ঝাড়খণ্ড) 2025
অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ রানার্স-আপ 2016

 


ম্যান অব দ্য ম্যাচ পুরস্কার

ঈশান কিষাণ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একাধিকবার ম্যাচসেরা হয়েছেন।

উল্লেখযোগ্য ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স:

বাংলাদেশ বনাম ভারত (ODI)

পাকিস্তান বনাম ভারত (T20I)

নিউজিল্যান্ড বনাম ভারত


ক্যারিয়ার পরিসংখ্যান এক নজরে

বিভাগ সংখ্যা
আন্তর্জাতিক রান 2339+
আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি 2
আন্তর্জাতিক অর্ধশতক 18+
ওয়ানডে সর্বোচ্চ স্কোর 210
টি-২০ আন্তর্জাতিক সর্বোচ্চ স্কোর 103
আইপিএল রান 3567+
প্রথম শ্রেণির রান 3893+
লিস্ট-এ রান 4023+
আন্তর্জাতিক ম্যাচ 74+

 

ঈশান কিষাণের ক্রিকেট যাত্রা এখনও চলমান। পাটনার এক স্বপ্নবাজ ছেলেটি আজ ভারতীয় ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। তাঁর বিস্ফোরক ব্যাটিং, লড়াকু মানসিকতা এবং বড় মঞ্চে পারফর্ম করার ক্ষমতা ভবিষ্যতে তাঁকে ভারতের অন্যতম সেরা উইকেটকিপার-ব্যাটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

Exit mobile version