google.com, pub-3844643779687651, DIRECT, f08c47fec0942fa0
×

rcb vs mi শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস নাটক

rcb vs mi শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস নাটক

Spread the love

  rcb vs mi শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস নাটক! মুম্বইকে বিদায় জানিয়ে আইপিএল ২০২৬ প্লে-অফের পথে আরসিবি

আইপিএল মানেই নাটক, আবেগ, শেষ ওভারের টানটান উত্তেজনা এবং এমন কিছু মুহূর্ত যা বছরের পর বছর ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে থেকে যায়। রবিবার রাতে সেই তালিকায় নতুন করে জুড়ে গেল আরেকটি ম্যাচ। Royal Challengers Bengaluru এবং Mumbai Indians-এর হাইভোল্টেজ দ্বৈরথে শেষ বলে জয় তুলে নিল বেঙ্গালুরু। দুই উইকেটের এই অবিশ্বাস্য জয়ে শুধু ম্যাচই জেতেনি আরসিবি, কার্যত টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে দিয়েছে পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে।

ছত্তীসগঢ়ের Shaheed Veer Narayan Singh International Stadium যেন রবিবার রাতের সাক্ষী হয়ে রইল এক অসাধারণ ক্রিকেট নাটকের। ব্যাট ও বল—দুই বিভাগেই নায়ক বদলেছে বহুবার। কখনও মনে হয়েছে মুম্বই সহজেই ম্যাচ জিতে যাবে, আবার কিছুক্ষণ পরেই আরসিবি ফিরে এসেছে লড়াইয়ে। শেষ পর্যন্ত ঠান্ডা মাথা, ধৈর্য এবং কয়েকটি সাহসী শট পার্থক্য গড়ে দিল।

ম্যাচের শুরুতেই মুম্বইয়ের ধাক্কা

টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে মুম্বই। শুরু থেকেই অবশ্য বিপদের মুখে পড়ে তারা। আরসিবির অভিজ্ঞ পেসার Bhuvneshwar Kumar নতুন বলে এমন আগুন ঝরালেন যে মুম্বইয়ের টপ অর্ডার মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ে।

প্রথমেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার Ryan Rickelton। এরপর খুব বেশি সময় ক্রিজে টিকতে পারেননি Rohit Sharma। স্টেডিয়ামে উপস্থিত দর্শকরা তখনও নিজেদের আসনে ঠিকমতো বসে উঠতে পারেননি, তার মধ্যেই আরেকটি বড় ধাক্কা। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের অন্যতম নির্ভরযোগ্য ব্যাটার Suryakumar Yadav প্রথম বলেই আউট হয়ে ফিরে যান।

মুম্বইয়ের স্কোরবোর্ডে তখন চাপ স্পষ্ট। পাওয়ারপ্লের মধ্যেই তিন উইকেট পড়ে যাওয়ায় দলের ডাগআউটে নেমে আসে উদ্বেগ। আরসিবি বোলাররা বুঝিয়ে দিচ্ছিলেন, এই উইকেটে রান তোলা সহজ হবে না।

তিলক বর্মা ও নমন ধীরের প্রতিরোধ

কিন্তু বড় দলগুলোর বৈশিষ্ট্যই হলো চাপের মধ্যে লড়াই করা। ঠিক সেই কাজটাই করেন Tilak Varma এবং Naman Dhir। দু’জন মিলে ধীরে ধীরে ইনিংস গড়ে তোলেন।

তিলক শুরু থেকেই বেশ পরিণত ব্যাটিং করেন। অযথা বড় শট না খেলে গ্যাপ খুঁজে সিঙ্গল-ডাবল নিতে থাকেন। অন্যদিকে নমন ধীর শুরুতে সময় নিলেও পরে হাত খুলতে শুরু করেন। বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর ফুটওয়ার্ক ছিল দেখার মতো।

দু’জনের জুটিতে মুম্বই ধীরে ধীরে ম্যাচে ফিরে আসে। মাঝের ওভারগুলোতে রানরেট খুব বেশি না বাড়লেও উইকেট না হারিয়ে তারা আরসিবির বোলারদের পরিকল্পনা নষ্ট করে দেয়। তিলকের ব্যাট থেকে আসে দৃষ্টিনন্দন অর্ধশতরান, আর নমন ধীর খেলেন গুরুত্বপূর্ণ ৪৭ রানের ইনিংস।

যে দল একসময় ৫০ রানও পার করবে কিনা সন্দেহ ছিল, তারা শেষ পর্যন্ত ১৬৬/৭ স্কোরে পৌঁছে যায়। এই পিচে সেটি ছিল লড়াই করার মতো সংগ্রহ।

ভুবনেশ্বর কুমারের বিধ্বংসী স্পেল

মুম্বইয়ের ইনিংসে সবচেয়ে বড় পার্থক্য গড়ে দেন ভুবনেশ্বর কুমার। তাঁর সুইং, লাইন ও লেংথ এতটাই নিখুঁত ছিল যে ব্যাটাররা প্রায় কোনও উত্তরই খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

৪ ওভারে মাত্র ২৩ রান দিয়ে ৪ উইকেট তুলে নেন এই অভিজ্ঞ পেসার। নতুন বলে টপ অর্ডার ধ্বংস করার পাশাপাশি ডেথ ওভারেও ফিরে এসে গুরুত্বপূর্ণ উইকেট তুলে নেন তিনি। বিশেষ করে তিলক বর্মাকে আউট করার মুহূর্তটাই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। কারণ তখন মনে হচ্ছিল মুম্বই হয়তো ১৮০-র কাছাকাছি পৌঁছে যাবে।

ভুবনেশ্বরের বোলিংয়ে ছিল পুরনো দিনের সেই ক্লাসিক সুইং। অফস্টাম্পের বাইরে বল ফেলে ব্যাটারদের ভুল করতে বাধ্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে স্লোয়ার বল ও কাটার ব্যবহার করে রান আটকে রাখেন।

রান তাড়ায় দুঃস্বপ্নের শুরু আরসিবির

১৬৭ রানের লক্ষ্য খুব বড় না হলেও পিচের আচরণ দেখে বোঝা যাচ্ছিল ম্যাচ মোটেও সহজ হবে না। আর সেই আশঙ্কাই সত্যি হয় আরসিবির ইনিংসের শুরুতে।

প্রথম ওভারেই বিশাল ধাক্কা। মুম্বই পেসার Deepak Chahar গোল্ডেন ডাক করান Virat Kohli-কে। স্টেডিয়াম মুহূর্তের মধ্যে স্তব্ধ হয়ে যায়।

কোহলির আউটের পর খুব বেশি সময় টিকতে পারেননি Devdutt Padikkal। এরপর অধিনায়ক Rajat Patidar-কেও ফিরিয়ে দেন Corbin Bosch।

পাওয়ারপ্লে শেষে আরসিবির স্কোর ছিল ৪৭/৩। ম্যাচ তখন পুরোপুরি মুম্বইয়ের নিয়ন্ত্রণে।

বুমরাহর চাপে দমবন্ধ অবস্থা

Jasprit Bumrah নিজের স্বভাবসিদ্ধ নিখুঁত বোলিংয়ে আরসিবিকে আরও চাপে ফেলে দেন। তাঁর ইয়র্কার, স্লোয়ার এবং হার্ড লেংথ বল ব্যাটারদের প্রায় শ্বাস নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছিল না।

অন্যদিকে করবিন বোশ বারবার অস্বস্তিকর বাউন্স তৈরি করছিলেন। পিচ ধীরগতির হওয়ায় ব্যাটে বল ঠিকমতো আসছিল না। ফলে রান তোলা ক্রমশ কঠিন হয়ে ওঠে।

আরসিবি শিবিরে তখন উদ্বেগ বাড়ছিল। কারণ প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়তে শুরু করেছে, আর উইকেটও পড়ছে নিয়মিত।

জ্যাকব বেথেলের ধৈর্যশীল ইনিংস

এই কঠিন পরিস্থিতিতে কিছুটা লড়াই করেন তরুণ ব্যাটার Jacob Bethell। তিনি শুরুতে সময় নিয়ে খেলেন এবং এক প্রান্ত ধরে রাখার চেষ্টা করেন।

বেথেলের ২৭ রানের ইনিংস হয়তো খুব বড় ছিল না, কিন্তু ম্যাচের প্রেক্ষাপটে তা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ক্রিজে থেকে চাপ কিছুটা কমান এবং অন্য প্রান্তে ক্রুনাল পান্ডিয়াকে সময় দেন সেট হওয়ার।

ক্রুনাল পান্ডিয়ার অবিশ্বাস্য লড়াই

ম্যাচের আসল নায়ক যদি কাউকে বলতে হয়, তাহলে তিনি নিঃসন্দেহে Krunal Pandya। কঠিন পিচে, চাপের পরিস্থিতিতে এবং নিয়মিত উইকেট পড়ার মধ্যেও যেভাবে তিনি ইনিংস গড়েছেন, তা নিখাদ টি-টোয়েন্টি মাস্টারক্লাস।

শুরুতে ধীরে খেললেও পরে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন ক্রুনাল। বিশেষ করে স্পিনারদের বিরুদ্ধে তাঁর সুইপ শট ও লফটেড ড্রাইভ ছিল চোখে পড়ার মতো।

Will Jacks এবং AM Ghazanfar-এর বিরুদ্ধে তিনি বারবার বাউন্ডারি তুলে চাপ কমান। লং-অন অঞ্চলে তাঁর বিশাল ছক্কা ম্যাচে নতুন গতি এনে দেয়।

সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল তাঁর মানসিক দৃঢ়তা। ম্যাচের শেষদিকে ক্র্যাম্পে ভুগছিলেন তিনি। তবুও দৌড়ে রান নেওয়া, স্ট্রাইক রোটেট করা এবং সুযোগ পেলেই বড় শট খেলা—সবই করে গেছেন।

তাঁর ৭৩ রানের ইনিংস শুধু স্কোরবোর্ডে রান যোগ করেনি, পুরো দলকে বিশ্বাস জুগিয়েছে যে ম্যাচ এখনও জেতা সম্ভব।

করবিন বোশের দুরন্ত প্রত্যাবর্তন

যখন মনে হচ্ছিল আরসিবি ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিচ্ছে, তখন আবারও ম্যাচে ফেরান করবিন বোশ। তিনি এক দুর্দান্ত স্পেলে একের পর এক উইকেট তুলে নেন।

প্রথমে জ্যাকব বেথেলকে আউট করেন। পরে Jitesh Sharma এবং Tim David-কে ফিরিয়ে ম্যাচে নতুন নাটক তৈরি করেন।

৪ ওভারে ২৬ রান দিয়ে ৪ উইকেট—বোশের এই স্পেল না থাকলে হয়তো ম্যাচ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেত।

শেষ দুই ওভারে চরম উত্তেজনা

ম্যাচ যখন শেষ দুই ওভারে পৌঁছয়, তখন হিসাব দাঁড়ায় অত্যন্ত জটিল। একদিকে উইকেট কম, অন্যদিকে প্রয়োজনীয় রানরেট বাড়ছে।

১৯তম ওভারে বুমরাহ প্রায় নিখুঁত বোলিং করেন। তাঁর ওভার শেষে সমীকরণ দাঁড়ায়—শেষ ওভারে দরকার ১৫ রান।

ক্রিকেটপ্রেমীরা তখন টিভির সামনে প্রায় নিঃশ্বাস বন্ধ করে বসে ছিলেন।

শেষ ওভারের সিনেমাকেও হার মানানো নাটক

শেষ ওভার করতে আসেন Raj Bawa। প্রথম কয়েক বলেই নাটক শুরু। একটি ওয়াইড এবং একটি নো-বল আরসিবিকে ম্যাচে ফিরিয়ে আনে।

কিন্তু পরের মুহূর্তেই রোমারিও শেফার্ডের উইকেট তুলে নিয়ে আবার ম্যাচ ঘুরিয়ে দেন রাজ বাওয়া। তখন মনে হচ্ছিল মুম্বই হয়তো অসম্ভব এক জয় তুলে নেবে।

ঠিক সেই সময় ক্রিজে আসেন ভুবনেশ্বর কুমার।

ব্যাট হাতেও নায়ক ভুবনেশ্বর

বল হাতে আগেই ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠেছিলেন ভুবনেশ্বর। কিন্তু ব্যাট হাতে যা করলেন, তা হয়তো তিনিও কল্পনা করেননি।

একটি ওয়াইড বাউন্সার এড়িয়ে যাওয়ার পর পরের বলেই গভীর কভারের উপর দিয়ে দুর্দান্ত ছক্কা হাঁকান তিনি। মুহূর্তের মধ্যে সমীকরণ বদলে যায়।

শেষ বলে দরকার ছিল দুই রান। রাসিখ সালাম দার বল সোজা ব্যাটে লাগিয়ে দৌড় শুরু করেন। দু’জন ব্যাটার প্রাণপণ দৌড়ে দ্বিতীয় রান সম্পূর্ণ করেন।

তারপরই শুরু হয় উল্লাস। আরসিবি ডাগআউট মাঠে নেমে আসে। সতীর্থরা ছুটে গিয়ে জড়িয়ে ধরেন ভুবনেশ্বর ও ক্রুনালকে।

মুম্বইয়ের বিদায়, আরসিবির বার্তা

এই হার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য ভীষণ হতাশাজনক। পুরো মরশুমে ওঠানামার মধ্যে থাকা দলটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নিজেদের সেরাটা দিতে পারল না।

অধিনায়কত্ব, ব্যাটিং অর্ডার এবং ডেথ বোলিং নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা এবং শেষ ওভারের অতিরিক্ত রান দলকে বড় মূল্য চোকাতে হয়েছে।

অন্যদিকে আরসিবির জন্য এই জয় শুধু দুই পয়েন্ট নয়, মানসিক দিক থেকেও বিশাল সাফল্য। কঠিন পরিস্থিতি থেকে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা দলকে নতুন আত্মবিশ্বাস দেবে।

বিরাট কোহলির হতাশার রাত

এই ম্যাচে Virat Kohli-র গোল্ডেন ডাক বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে। বড় ম্যাচে তাঁর কাছ থেকে বড় ইনিংসের প্রত্যাশা ছিল সমর্থকদের। কিন্তু দীপক চাহারের সুইং সামলাতে না পেরে প্রথম বলেই আউট হয়ে যান তিনি।

তবে ম্যাচ শেষে দলের জয়ই শেষ পর্যন্ত কোহলির হতাশা কিছুটা কমিয়ে দেয়। ডাগআউটে বসে শেষ ওভারের প্রতিটি বল তিনি যে কতটা নার্ভাস হয়ে দেখছিলেন, তা টিভি ক্যামেরায় স্পষ্ট ধরা পড়েছে।

সামাজিক মাধ্যমে ঝড়

ম্যাচ শেষ হওয়ার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ঝড় ওঠে। ক্রিকেটপ্রেমীরা একে “আইপিএল ইতিহাসের অন্যতম সেরা থ্রিলার” বলতে শুরু করেন।

কেউ ক্রুনাল পান্ডিয়ার লড়াইয়ের প্রশংসা করেছেন, কেউ আবার ভুবনেশ্বর কুমারের অলরাউন্ড পারফরম্যান্সকে “পুরনো দিনের ম্যাজিক” বলেছেন।

মুম্বই সমর্থকদের বড় অংশ অবশ্য হতাশা প্রকাশ করেছেন দলের পরিকল্পনা নিয়ে। অনেকেই মনে করছেন, ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে চাপ সামলাতে পারেনি দল।

প্লে-অফের সমীকরণে বড় পরিবর্তন

এই জয়ের ফলে প্লে-অফের দৌড় আরও জমে উঠেছে। আরসিবি নিজেদের অবস্থান শক্ত করল, অন্যদিকে মুম্বইয়ের অভিযান কার্যত শেষ।

পয়েন্ট টেবিলের হিসাব এখন আরও জটিল হয়ে উঠেছে। প্রতিটি ম্যাচের ফলই বদলে দিতে পারে শেষ চার দলের চিত্র।

কেন এই ম্যাচ আলাদা হয়ে থাকবে

আইপিএলে অনেক থ্রিলার দেখা গেছে। কিন্তু এই ম্যাচকে বিশেষ করে তুলেছে কয়েকটি বিষয়—

  • দুই দলের ঐতিহাসিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা
  • কঠিন পিচে লড়াই
  • একাধিকবার ম্যাচের মোড় ঘোরা
  • শেষ বল পর্যন্ত অনিশ্চয়তা
  • ভুবনেশ্বর ও ক্রুনালের অসাধারণ মানসিক দৃঢ়তা

ক্রিকেটপ্রেমীরা বহুদিন এই ম্যাচের কথা মনে রাখবেন।

ম্যাচের গুরুত্বপূর্ণ পারফরম্যান্স

মুম্বই ইন্ডিয়ান্স

  • তিলক বর্মা — ৫৭ রান
  • নমন ধীর — ৪৭ রান
  • করবিন বোশ — ৪/২৬
  • জসপ্রীত বুমরাহ — নিয়ন্ত্রিত স্পেল

রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু

  • ক্রুনাল পান্ডিয়া — ৭৩ রান
  • ভুবনেশ্বর কুমার — ৪/২৩ ও ম্যাচ জেতানো ক্যামিও
  • জ্যাকব বেথেল — গুরুত্বপূর্ণ ২৭ রান

সামনে কী?

আরসিবি এখন নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরের ম্যাচে নামবে। দলটির সমর্থকেরা আবারও স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছেন—এবার কি তবে ট্রফি জয়ের অপেক্ষা শেষ হবে?

অন্যদিকে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জন্য শুরু হবে আত্মসমালোচনার সময়। কোথায় ভুল হলো, কোন জায়গায় উন্নতি দরকার, আগামী মরশুমে কীভাবে আরও শক্তিশালী হয়ে ফেরা যায়—সেই পরিকল্পনাই এখন তাদের মূল লক্ষ্য।

তবে একটি বিষয় নিশ্চিত—আইপিএল ২০২৬-এর এই ম্যাচ বহু বছর ধরে আলোচনায় থাকবে। কারণ ক্রিকেট যখন নাটকের সব সীমা ছাড়িয়ে যায়, তখনই জন্ম নেয় এমন অবিস্মরণীয় রাত।

Please follow and like us:
icon_Follow_en_US rcb vs mi   শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস নাটক
en_US_save rcb vs mi   শেষ বলের রুদ্ধশ্বাস নাটক

Post Comment

You May Have Missed

RSS
Follow by Email